২০১১ এর ভয়াবহ ভূমিকম্পের আগে ধরা পড়েছিল! আবার দেখা দিল ১৩ ফুট লম্বা সেই অদ্ভুত মাছ

২০১১-য় জাপানের ফুকুশিমায় ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের ঠিক আগে এই মাছ ধরা পড়েছিল। স্থানীয় লোকজন যাকে বলে- ভূমিকম্পের মাছ। আবার সেই মাছ ধরা পড়ল।মেক্সিকোর উপকূলে ধরা পড়ল ১৩ ফুট লম্বা ওর ফিশ। ফলে আরও একবার লোকজনের মধ্যে ভূমিকম্পের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বাজা ক্যালিফোর্নিয়ার পিচিলিঞ্জ উপকূলে ধরা পড়েছে এই মাছ। ফার্নান্দো কাভালিন ও ডেভিড জাভেদোস্কি নামের দুজন এই মাছ ধরেছেন উপকূলবর্তী এলাকা থেকে।

মাছটিকে অবশ্য ওই দুজন মৃত অবস্থায় উপকূল অঞ্চল থেকে উদ্ধার করেছে। আর তার পর থেকেই স্থানীয় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকটা ঈল মাছের মতো দেখতে এটিকে। তবে আকারে অনেক লম্বা।

২০১১ সালে এক লোকসঙ্গীত শিল্পী এই মাছ পেয়েছিলেন জাপানের উপকূল থেকে। তার পর ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। চলতি বছরেও কোয়ান্তানা রো অঞ্চলে এই মাছ ধরা পড়েছিল। তার পর মেক্সিকোর ওক্সাকাতে ভূমিকম্প হয়েছিল।
তাহলে কি আবারও প্রবল কম্পন আর সুনামিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সময় আসন্ন? আবার ২০১১ এর সুনামির স্মৃ’তি মনে করিয়ে দিল মেক্সিকো উপকূলে ধ’রা পড়া দৈত্যাকার মাছ। এই মাছটি বিশ্বজুড়ে ‘ভূমিকম্পের মাছ’ বলে পরিচিত।

মাছটি ধ’রা পড়ার এরপরই এই আশংকা শুরু হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। ১৩ ফুট লম্বা সামুদ্রিক মাছটি আসলে ওর ফিশ। মুখটা অনেকটা হাঙরের মতো। গায়ের রং রুপালি। উপকূলে খুব একটা দেখা যায় না। আর সে কারণেই বোধহয় সমুদ্র সৈকতে এর আবির্ভাব অশনি সংকেত বলে ধরে নেওয়া হয়।

যেমন, ২০১১ সালের মা’র্চ মাসে জা’পানে ভ’য়াবহ কম্পন আর সুনামির আগে নাকি সৈকতে দেখা গিয়েছিল ওর ফিশ। তারপর থেকেই তার নাম হয়ে যায় ভূমিকম্পের মাছ। রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রা ভূমিকম্প আর ৪০ মিটার উচ্চতার সুনামির বিপর্যয় সামলাতে অনেকটা সময় লেগেছিল জা’পানের।

৯ বছর পর ফের সেই স্মৃ’তিই উসকে দিল মেক্সিকো উপকূলে ধ’রা পড়া ওর ফিশ। ফার্নান্দো কেভালিন ও ডেভিড জাবেদোরস্কি নামে দুই যুবক মাছটিকে আবিষ্কার করে সৈকতের একেবারে ধারে। ছনি তোলার পর মাছটিকে সমুদ্রে ছেড়ে দেন ফার্নান্দো ও ডেভিড। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাই’রাল হতেই ছড়িয়েছে ত্রাস।

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

এছাড়াও পড়ুন

১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আস্ত বাড়ি!

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাত্র ১২ টাকা দিয়ে যদি আস্ত একটা বাড়ি কেনা যায় তাহলে কেমন হয়? …

Leave a Reply