বাড়ির বিরোধিতা সত্ত্বেও শুরু করেছিলেন চায়ের দোকান, আজ মাস গেলে কামাচ্ছেন ৮০ হাজার টাকা

বর্তমান যুগের রাজনীতি, শিল্প, সিনেমা, সঙ্গীত বা ব্যবসা সব ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের সমান। প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা তাদের সাফল্যের পতাকা তুলেছেন। আজ আপনাকে গুজরাটের এমনই এক মহিলার গল্প বলতে যাচ্ছি, তিনি চায়ের ব্যবসা করে সমস্ত মহিলাদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তিনি নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন।গুজরাটের রঙিন শহরে রাজকোট এর বাসিন্দা নিশা হুসেন। তিনি প্রথমে কম্পিউটার অপারেটরের চাকরি করতেন।

কিন্তু এরপর তিনি চায়ের স্টল বসান। আজ তিনি পুরো রাজকোটে ‘দ্য চাইওয়ালি’ নামে বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন। তিনি চা তৈরি খুব করতে পছন্দ করতেন। তাই তিনি তাঁর শখকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছে। তিনি যখন চা তৈরির ব্যবসা শুরু করেছিলেন, তখন তিনি নিশ্চিত ছিলেন তিনি এতে অবশ্যই সফলতা পাবেন।

নিশা 12তম পড়াশোনা শেষ করে, রাজকোটে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন। কিন্তু এই কাজে নিশা খুব একটা তৃপ্তি পেতেন না। বেশি পড়াশোনা না করার কারণে, তিনি ভালো চাকরি পাবেন না এটা ভেবে তিনি চা তৈরির ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কাছে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না, যাতে সে ব্যবসা শুরু করে করতে পারবে। তখন তাঁর মাথায় আসে চায়ের ব্যবসা শুরু করার জন্য।

নিশা বলেছেন, ‘আমার ছোটবেলার বন্ধুরা যখন আমার বাড়িতে আসত। তখন আমার হাতে চা খেতে তারা খুব পছন্দ করত। সবাই সব সময় বলতো তোমার হাতে চা খুব ভালো। এসব ভেবে চায়ের ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’ তবে প্রথমদিকে ব্যবসায়িক জ্ঞানের অভাবের জন্য ‘টি পোস্ট’ নামের ক্যাফেতেও কিছুদিন নিশা কাজ করেছিলেন। আজ প্রতিদিন তাঁর চা তৈরি করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আয় হয়।

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

এছাড়াও পড়ুন

আপনি জানেন কি কাঁঠাল আমাদের কি উপকার করে?

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। দেশের সর্বত্রই কম-বেশি এই কাঁঠাল পাওয়া যায়। বসন্ত ও গ্রীষ্মের প্রথমে …