দুধ বিক্রি থেকে ব্যাঙ্ক স্থাপনের যাত্রা বন্ধন ব্যাঙ্কের মালিক চন্দ্রশেখর এর গল্প কোন সিনেমার থেকে কম না

কঠোর পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে যে কোন মানুষ হতে পারে বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি। এটি বন্ধন ব্যাঙ্কের সি.ই.ও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর “চন্দ্রশেখর ঘোষ”-এর সাফল্যের গল্প। যা মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার পথ তৈরি করে। ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে পরিশ্রম করলে ভবিষ্যতের সোনালী রশ্মি ফুটে উঠতে পারে জীবনে। চন্দ্রশেখর ঘোষেরও একই বিশ্বাস ছিল।

তিনি একসময় অর্থের প্রতি মোহগ্রস্ত হয়ে পরেন। এবং পরে প্রচুর অর্থও উপার্জন করেন সক্ষম হন। এটাও সত্য যে সাফল্য কখনই সহোজে পাওয়া যায় না। তার জন্য জীবনে সৃজনশীল এবং পরিশ্রমী হওয়া প্রয়োজন। চন্দ্রশেখর ঘোষ, বন্ধন ব্যাঙ্কের সি.ই.ও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর, দারিদ্র্যতা থেকে জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্ম বিষয়গুলি শিখেছেন।

হয়তো সেখান থেকেই এমন একটি ব্যবসায়িক ধারণাও পেয়েছেন যা তার জীবন এবং সেইসাথে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে। যিনি একজন সাধারণ মিষ্টির দোকান মালিকের বড় ছেলে এবং ছোটবেলায় দুধ বিক্রি করতেন। তিনি ত্রিপুরার আগরতলায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি অনেক সংগ্রামের মুখোমুখি হয়েছেন।

আশ্রমের খাবার খেয়েই দিন কাটিয়েছেন তিনি। টিউশনি পড়িয়ে পড়াশোনার খরচ চালাতেন। কিন্তু এখন তিনি নিজেই এত বড় মানুষ হয়ে উঠেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের নারীদের নিজ থেকে ২ লাখ টাকা করে ঋণ দেন। এক সময় চন্দ্রশেখর দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের খরচ চালাতেন মাত্র ৫০০০ টাকা বেতনে একটি কাজ করে। খুব কঠিন পরিস্তিতির মধ্যে তিনি ১৯৯০ সালের শেষের দিকে আলাদা কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন।

বন্ধন ব্যাঙ্ক হল ভারত ভিত্তিক একটি ব্যাঙ্কিং এবং আর্থিক পরিষেবা সংস্থা। পশ্চিমবঙ্গে ২৩ শে আগস্ট ২০১৫ সালে “বন্ধন” আর্থিক পরিষেবা চালু করেছিল। বন্ধন একটি মাইক্রোফিনান্স প্রতিষ্ঠান। একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক হিসাবে শুরু করার জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকেও অনুমোদন পেয়েছে। বন্ধন ব্যাঙ্ক ভারতের গ্রাম ও শহরের দরিদ্র লোকদের ঋণ দেয়, যদিও তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হল মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য ঋণ দেওয়া।

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

এছাড়াও পড়ুন

বরের মুখে এমন কথা শুনে অ’বাক মে’য়ের বাবা সাথে সকল আত্মীয়-স্বজন

আপনারা সবাই জানেন যে বড়লোকদের আজকাল বিয়ের কাজ কর্ম বড়ই যাক জমকের সাথে হয়। কেবল …